ডিভোর্সি

ডিভোর্সি



ডিভোর্সি মেয়েকে নিয়ে খেলা করা যায় বিয়ে নয়!
কথাটা নির্লজ্জভাবে বলছি কারণ নির্লজ্জ সমাজটাকে দেখছি প্রতিনিয়ত। এখানে অহরহ চলছে এমন মজার খেলা।
একটা ডিভোর্স যখন হয় তখন চরম একটা মুহূর্ত পার করতে হয় দুটো মানুষকে তারমধ্যে মেয়েটাকে সংগ্রামী সাহসী অচেনা জীবনে পা বাড়াতে হয়।এমনও দেখা গেছে যে মেয়েটাকে তার পরিবার পর্যন্ত খোঁটা দিতে ছাড়ে না।যেন সব দোষ আর মহাপাপ সে করেছে।কটাক্ষ করে কথা বলে সবাই।
এমন দুর্দিনে মেয়েটা থাকে নিঃসঙ্গ দিশেহারা। একজন ভাল বন্ধু তার ভীষন প্রয়োজন।
সেই সুজোগে কিছু মুখোশধারী ভালমানুষ চরম বন্ধুরূপে এসে উদ্ধার করতে তৎপর হয় মেয়েটাকে।এত মিষ্টি আর রসালো কথা এবং পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি যেন মেয়েটা এমন একজন মানুষই খুঁজছিল আজীবন।
একটা ডিভোর্সি মেয়ে সহজে আরেকজনকে বিশ্বাস বা ভরশা করতে পারে না অথচ ঐ ভাল মানুষগুলো আঠার মত লেগে থাকে।মেয়েটাকে সময় অর্থ সবকিছু দিয়ে সামনে এগিয়ে নেয়ার সাহসী মনোভাব।বিয়ে করবে এমনকি রেজিস্টার বিহীন ধর্মীয় বিয়েও করে দেখান তথাকথিত সুপুরুষগন।
মূল উদ্যেশ্য আদিমতা।সেই লোভনীয় কাজটা যখন ফুরোবে দিনদিন মেয়েটা বুড়ি, ডিভোর্সি, বাচ্চার মা নানান কথা মনে পড়বে।এরপর সবকিছু অস্বীকার এবং মেয়েটাকে অকথ্য ভাষায় বকাবকি।
একবারও কি ভেবে দেখেছেন?আপনার দুদিনের রসভোগ মেয়েটাকে কোথায় নিয়ে দাঁড় করায়?কাটাঘায়ে নুনমেঘে আরও বড় ক্ষত তৈরী করছেন। সে ক্ষত আদৌ কি সে একজীবনে পার করতে পারবে?
সেতো প্রথম থেকেই ডিভোর্সি ছিল!আপনার কাছে ভার্জিন সেজে যায়নি উদ্ধার হতে!
সে একা ছিল একরকম কষ্ট নিয়ে, এরপর আপনাকে বিশ্বাস করে ভালবেসে সর্বস্ব হারিয়ে তার বেঁচে থাকার মর্মান্তিকতা একবার অনুধাবন করুন।তাই খেলা করতে দুর্বল ডিভোর্সি মেয়েকে খেলনা বানাবেন না



জোবায়দা জবা

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.