হিমি


হিমি


তোমার জন্য গচ্ছিত রাখা সন্ধ্যা গুলো কয়েকশো আলোকবর্ষ দূরে নেয় টেনে
সময়ের পিছুটানে—
নির্বাক ও আশ্চর্য সে সময় 
গত হওয়া বছরের কথা মনে করিয়ে দেয় আমাকে!
ভালোবাসা পাবো না এমন বিশ্বাস থেকে
লিখে যাচ্ছি অবিরাম ভেড়ার পশমে 
প্রেমের কবিতা—
কবি না বোলে কেনো মানুশ বোল না?
একুশটি সন্ধ্যা
নির্বাক চোখ 
অস্তগামী সূর্যের দূর্বল আলো 
আর
মলিন চাঁদের সাথে সন্ধি করেছি
অভিশপ্ত নীল কষ্ট রোদের আলোতে যখন 
ত্বরিক্বত ও হকিক্বতের আলোচনা করে 
নিষিদ্ধ হুকুম আহ্বাবান করে মারিফতের চিলেকোঠায়—
শপথের গন্তব্য উপহার দেয় নিঃশব্দের আর্তনাদ!
ইচ্ছার পংক্তিমালা ঝাপসা
হস্তান্তরিত মানুশ ডোম হবার পূর্বেও পিছু ফিরে 
কোন বন্দর শূন্য হাতে ফিরিয়ে দেয়?
অন্ধকার যুক্তি-তর্ক ছাড়ে
সমীরণে পুলকিত অন্ধকার রাত
তোমাদেরও কি আলো দেখায়?
গোপন কালিতে খুব নিরবে লিখে রেখো
হিমি
অপমৃত্যু আমার—
তাঁরপর কতক সন্ধ্যাদীপ জ্বলবে
চিৎকার কিংবা আর্তনাদ হবে
খুব গোপনে চোখের জল ফেলো
হাসি মুখে বলো আবার এসো প্লিজ পূর্ণিমারাতে, মধ্যদুপুরে, গভীর রাতে কিংবা সকালের সোনালী রোদ শিশির স্পর্শের আগে।
রঙহীন আয়োজন।
-
-
-
হিমির জন্য একুশটি সন্ধ্যা 



 আব্দুল্লাহ হিমু।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.