প্রজন্ম

প্রজন্ম
Related image
মানসিকভাবে দুর্বল মানুষগুলো চারপাশের মানুষগুলোকেও দুর্বল করে দেয়।আমার মা ভিষন রকমের একজন দুঃখী এবং দুর্বল চিত্তের মানুষ। ছোটবেলা থেকেই তার দুঃখ শুনতে শুনতে বড় হয়েছি।আমার মাঝেই তিনি তার ছায়া দেখেছেন কিনা, সেজন্যে আমিই তার দুঃখবিলাসের একমাত্র সঙ্গী। বয়সটা যেহেতু কম ছিলো, তাই তার দুঃখের কথাগুলো আমাকে ভিষনভাবে প্রভাবিত করত। তার দুঃখবিলাস নিজেকে কেন্দ্র করে শুরু হতো, আর নিজেতেই এসে শেষ হতো। তিনি তার দুঃখবিলাসে এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে, তার সন্তানদের জীবন যে তার উপর নির্ভরশীল, তিনি সেকথাই ভুলে গিয়েছিলেন। তার কাছ থেকে সে শুধু আমাদের ভালবাসেন, এই বার্তাটি ব্যাতিত অন্যকিছু আশা করা সম্ভব ছিলোনা।
বড় সন্তান সবসময় অনেক আদরের হয়, আর সেটি যদি হয় ছেলে সন্ত্বান,তাহলে ত সোনায় সোহাগা, স্বাভাবিকভাবেই অশিক্ষিত রক্ষণশীল পরিবারে ছেলে সন্ত্বানের কদর অনেক বেশী। না, আমার মা আমাদের ম্যধে পার্থক্য করেননি, তবে পা্থক্য চলছিলো খাওয়াপরা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই। আমার দাদীর চোখের মনি ছিলেন আমার ভাই। ছোটবেলা যখন থেকেই দেখতাম আমার ভাইয়ের জন্যে তরকারীর বড় মাছটা আলাদা করে রাখা হয়,সেই নিয়মটা এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিলো যে কাজের মেয়েটাও খাওয়ার সময় বলে দিতো আপনার ভাইয়ের জন্যে বড় মাছটি রেখে ছোটটি আপনে খান।না মনে এসব বিষয় দাগ কাটেনি! যে নিয়ম শুরু থেকে চলে আসে সেগুলো স্বভাবিক ই মনে হয়,আমার কাছেও এই নিয়মগুলো স্বাভাবিক ছিলো।
আমার মা বাস্তবিকই একজন দঃখী মানুষ ছিলেন।তার দুঃখবিলাসেরও যথেষ্ট কারন ছিলো। ছোটবেলায় বাবা মাকে হারিয়ে মানুষ হয়েছেন চাচীদের কাছে অযত্ন অনাদরে,অবহেলায়। মেয়েরা যখন বাস্তবিকই খুব দুঃখে থাকে, তখন কল্পনার দৃশ্যপটে কাল্পনিক চরিত্র তৈরি করে,হ্যা, আমার বাবা এসেছিলেন তার সেই কাল্পনিক চরিত্র হয়ে।কেন জানি তার সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হওয়া লোকটিকে দেখে মনে হয়েছিলো তার দুঃখের দিন এখানেই শেষ, এখন শুধু স্বপ্ন যাত্রা।
না বাস্তবতা বড়ই কঠিন আর নির্মম।আমার কেনো জানি মনে হয় সৃষ্টিকর্তা কিছু মানুষকে দুনিয়াতে পাঠান ই কষ্ট দেয়ার জন্যে মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ এর মতো এদের ভাগ্য কখনো বদল হয় না।শুধু ক্ষিন আশায় এদের ক্ষনিকের জন্যে উচ্ছ্বাসিত হতে দেখা যায় , যা মূহুর্তেই মলিন হয়ে যায়।
বউ হয়ে এসে সে মূহুর্তেই বুঝে গিয়েছিলো অতীতের চাইতে ভয়ংকর কিছু পেতে যাচ্ছে সে! আমার দাদা দাদীর সর্বোচ্চ উদার নীতিতেও সম্ভব হয়নি যৌতুকবিহীন এতিম মেয়েটিকে মেনে নেওয়ার। বাবার জোড়াজুড়িতে গ্রহন ত করেছিলান, কিন্ত মেনে নিতে পারেননি। অত্যাচারটা শুধু মানসিক হলেও চলত, ক্ষেত্রবিশেষ তা শারীরিক ও হয়ে যেত। আমার বাবার এই বিষয় নিয়ে সহজ স্বীকারোক্তি ছিলো , তিনি তার বাবা, মায়ের সাথে তর্কে যেতে পারবেননা!সব বাবা মায়ের স্বপ্ন থাকে সন্ত্বানের, বিয়ে নামক অতিব জরুরী বিষয়টাতে তাদের পুরোপুরি হস্তক্ষেপ থাকবে। আমার বাবা তার বাবা,মাকে পুরোপুরি অগ্রাহ্য করেই আমার মাকে বিয়ে করলেন, কিন্তু বিয়ের পর হঠাৎ ই তিনি আদর্শ সন্ত্বান বনে গেলেন,যখন তার সহায় সম্বলহীন স্ত্রীর সবচেয়ে বেশি দরকার ছিলো তার মানসিক আশ্রয়ের।
দুনিয়া বড় বিচিত্র জায়গা দূরের মানুষের কষ্ট আমাদের ভিতরকে নাড়া দেয়, কিন্তু যে আমাদের সামনে আছে তার জন্যে আমাদের মনে সহানুভূতির ছিটাফোটাও থাকে না!অন্যের কষ্ট শুনে আহারে,বেচারা, বলে সহানুভূতি দেখানো লোকটাও, তার সামনের অসহায় মানুষটার অসহায়ত্ব বাড়িয়ে দেওয়ার মত সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না।
যেহেতু আমার মাকে কষ্ট দিলে জবাবদিহিতার জন্যে কেউ নেই, তাই এই সুজুগটা আত্বীয়-স্বজন থেকে শুরু করে সবাই নিয়েছিলো।স্বাভাবিকভাবে শক্ত থাকার মতো শক্তি তার অবশিষ্ট ছিলো না।
মানুষের যখন দুঃসময় থাকে, তখন ব্যাক্তিত্বের ভালো দিকগুলোকেও দোষ মনে হয়, আবার ভালো সময়ে দোষগুলোকেও গুন মনে হতে থাকে,মনে হয় আমার জন্যেই আমি সফল,কিন্তু তার নিজেকে সফল মনে করার কোন কারন ছিলো না।
আমার বাবার আবেগ সম্পর্কে আমাদের কোন ধারণা ছিলো না,তিনি যে খুব খারাপ সেটাও বলা যাবেনা।তিনি তার পরিবারের সবার আর্থিক চাহিদা পূরণ করতেন। একটা সংসারে কর্তা থাকে বটগাছের মত, তার ছায়ায় কান্ড,শাখা প্রশাখা পরিপুষ্ট হয়,। যেহেতু আমাদের প্রতি তার মমত্ববোধের বিষয়টাতে আমরা পুরোপুরি অজ্ঞ ছিলাম, তাই বোধ হয় সম্পর্কের টানের বিষয়টাতেও আমাদের কোন ধারণা নেই।তার নিজের
একটা জগৎ ছিলো, আর ছিলো অনেক ব্যাস্ততা, তার সন্ত্বানরা বড় হচ্ছিল, আর্থিক চাহিদা ছাড়াও আর কিছু চাহিদা আছে তাদের, এতে কিছুতে দিকপাত করার সময় তার ছিলো না।এমনকি তার দুই সন্ত্বান কে কেমন? এটা যদি কেও জানতে চান তাহলে বোধ হয় তাকে লজ্জায় ই পরতে হবে! ভাগ্যিস এরকম কেউ কখনো জানতে চায়নি! মোটকথা তার সাথে আমরা দুই ভাই- বোনের সম্পর্ক সৌজন্যবোধের। আমাদের সব আবদার আগে মার কাছে পৌছাত, তারপর তার কাছে।আমরা বরাবরই তার কাছে ছিলাম দায়িত্ব।
আমার বাবা প্রায়ই তার কতৃত্ব জাহির করতেন,ছোট ছোট বিষয়ে মাকে যারতার সামনে অপমান করে। একটা মেয়ে স্বামীর বাড়িতে কতটা সম্মানে থাকবেন সেটা নির্ধারন করে দেন তার স্বামী , যেহেতু তিনি আমার মার সম্মানের ব্যাপারে পুরোপুরি উদাসীন ছিলেন তাই তাকে সম্মান দেখানোর কেউ প্রয়োজন মনে করতো না।
একটা বিষয় আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে যেটা না পায়, সেটার প্রতি তার তীব্র আকর্ষন থাকে। আমার মা সবসময় অন্যর কাছে একটু আদর, একটু সম্মান আর সহানুভূতি চাইতেন, যেটা তার জন্যে বড়ই দুর্লব বিষয় ছিলো।
যেহেতু তার কথাগুলো শোনার কেউ ছিলো না, তাই আমিই হয়ে গেলাম তার দুঃখবানী শোনার একমাত্র শ্রোতা।ছেলে সন্ত্বানের কাছে মায়েরা বোধ হয় কষ্টের কথা বলতে স্বস্তি পায়না , যতটা মেয়ে সন্ত্বানের কাছে পায়।তার এই অমাতৃক আচরণের কারনে আমি আস্তে আস্তে হয়ে গেলাম অর্ন্তমুখী স্বভাবের ।আমি মনে মনে ভিষন অভিবাবকহীনতায় ভোগতাম, আর নিজেকেই নিজের মাঝে গুটিয়ে রাখতাম।মাকে কখনোই দেখিনি আমাদের জন্যে কারো সাথে ঝগড়া করতে, আমাদের সাথে যদি অন্যয় হতো তবুও না।সবাই তাকে ছোট ভাবতে ভাবতে সে নিজেও নিজেকে ছোট ভাবতো।তার কখনো সাহস হতো না অন্যের সাথে বাক বিতন্ডায় জড়ানোর , যার কারনে আমরা দুই ভাইবোন কখনো কারো সাথে ঝামেলায় জড়াতামনা।আমার মায়ের এই দুর্বল স্বভাবের প্রভাব আমাদের উপর ভালোভাবেই পরেছিলো আমার ভাইটি হয়ে ওঠলো বেপরোয়া, আর আমি হয়ে ওঠলাম গম্ভির।
আমার মা সবসময় বলতেন, ভাগ্যবিধাতা যেন তার সন্ত্বানদের জীবন তার মতো না করে।তার প্রার্থনা বিধাতা কতটা পূরন করেছেন সেটা তিনিই জানেন! আমার মনে হয় স্রষ্ঠা চান বাবামায়ের কিছু বিষয় সন্ত্বানের মাঝে থেকে যাক, আর তাদের অস্তিত্ব রক্ষা হোক প্রজন্মের পর প্রজন্ম।
অর্ধ শিক্ষিত থাকা অবস্হায় ই আমার বিয়ে ঠিক হলো, তবে ছেলে যেহেতু উচ্চ শিক্ষিত, তাই এই শর্তে বিয়ে ঠিক হলো আমাকে পূর্ন শিক্ষত হবার সুযোগ দেয়া হবে। ঐ যে আমার মা আমার মাঝে তার ছায়া দেখেছিলেন,হ্যা সেটাই, মানসিকভাবে প্রচুর দুর্বল একটা মেয়ের এতো বড় দুঃসাহস হয়নি, বিয়ের মতো এতো বড় সিদ্ধান্তে নিজের মতামত দেয়ার।হয়ত ভেবেই নিয়েছিলাম, নিজের ভালো মন্দের সিদ্ধান্ত নেয়ার মতো যোগ্যতা আমার নেই। তবে ছেলের বয়স একটু বেশি, এটা নিয়ে একটু সবার আপত্তি ছিলো, কিন্তু আমার বাবা তার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন।আমি অবশ্য এটা জেনে একটুু খুশীই হয়েছিলাম, মনে মনে ভেবেছিলাম এবার হয়ত স্বামী রূপে আমার একজন অভিবাবক পাওয়ার সৌভাগ্য হলো! একটা মানসিক আশ্রয়ের জায়গা হলো! যেখানে বয়সের বিষয়ে সবাইএ অস্বস্তিতে ছিলো, সেখানে আমি ছিলাম ভিষন স্বস্তিতে, কারন আমি জানি ৮/১০ টা কিশোরীর মতো, আমার মাঝে ছেলেমানুষীর একটু আকটুও নেই,বরং আমি আমার বয়সের চেয়েও বেশী পরিনত। আর মানসিক আশ্রয়ের লোভটাও আমাকে ভালো করেই ঝেকে ধরেছিলো!
বিয়েটা হয়ে গেলো! তিনটি শব্দ একটা মেয়ের জীবনকে এতো রাতারাতি বদলে দিতে পারে এটা একটা মেয়ে ছাড়া কারো পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়!
বিয়ের কিছুদিন পরেই বুঝতে পারলাম, আমার শ্বশুর বাড়ি উচ্চ শিক্ষিত হলেও, তারা চিন্তা চেতনায় অনেক রক্ষণশীল! আমার বর কথায় কথায় বলতেন, একটা মেয়ে শ্বশুর বাড়িতে কতটা সম্মানের সাথে থাকবে, সেটা নির্ধারন করে মেয়ের বাবার বাড়ি থেকে জামাইবাড়িকে কতটা সম্মান আর আপ্যায়ন করা হয়! এটি যে লোভের অন্য এক সংজ্ঞা , এটা বুঝতে আমাকে খুব বেশী কষ্ট করতে হয়নি!
আমার বাবার কাছে আমরা দুই ভাইবোন ছিলাম বরাবরই দায়িত্ব,আর যেহেতু তিনি আমাদের সাথে খুব কম সময় কাটিয়েছেন,তাই আমাদের সম্পর্কেও সে খুব কম জানতেন! একটা সম্পর্কে রক্তের টানের চেয়েও বেশী জরুরি আত্মীক টান, যেটা আমাদের মাঝে একেবারেই ছিলো না।আর তিনি আমাকে বিয়ে দিয়ে সারাজীবনের জন্যে আমার উপর তার দায়িত্ব শেষ করেছিলেন।আর কিছু উনি কখনো শুনতে চাননি, পাছে আরো কিছু দায়িত্ব পালন করতে হয় এই ভয়ে!আর আমার মা উনার নিজের জায়গাই এতো নড়বড়ে ছিলো , উনি আমার জন্যে কিছু করবেন, এটা ভাবাও অনেক বোকামি ছিলো।
আমার বর আর আমার শ্বশুর বাড়ির লোকেরা খুব তাড়াতাড়িই বুঝে গিয়েছিলেন যে, বিয়ে নামক স্বপ্নযাত্রায় তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়নি! আমার মা তার বাবা মা না থাকার দরুন, যতটা অবহেলিত ছিলেন, আমার সুখ দুঃখের খোজ খবর রাখার দায়িত্ব কেউ না নেয়ার কারনে, আমি ছিলাম এর চেয়েও বেশী অবহেলিত!
আদর্শ বউ হবার সর্বোচ্চ চেষ্টার পরেও, আমার শ্বশুর বাড়ির লোকেদের মনের দরজার ধারেকাছেও কখনো আমি যেতে পারিনি! বরং কাজ করতে গিয়ে কখনো যদি ছোটখাটো ত্রুটি হয়ে যেত, তাহলে তাদের তিক্ত কথার ভান্ডার হতে সবচেয়ে ফলপ্রসূ শব্দগুলো ছুড়ে দেয়া হতো , আমার ভিতরটাকে ক্ষত বিক্ষত করার জন্যে।
লোকটা যখনি শারীরিক সুখ খুজতে গয়ে আমাকে আলিঙ্গন করতো , আমি তাকে আলিঙ্গন করতাম মানসিক আশ্রয়ের লোভে!
চাহিদা যখন মানসিক তখন যৌনসঙ্গমও সুখ দিতে পারেনা , যতটা সুখ দিতে পারে পাশের মানুষটির হাতটি ধরে বলা, "আমি আছি ত তোমার সাথে" আর এই সৌভাগ্য হয়নি কখনো আমার!
আমার মা প্রায়ই বলতেন উনি আমার মাঝে তার ছায়া দেখেন , উনি কি জানতেন?তার জীবনেরই পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে তার সন্ত্বানের মাধ্যমে!
আমি আমার বরকে প্রায়ই জিজ্ঞেস করতাম, আচ্ছা আমার মাঝে কি কোন কমতি আছে? থাকলে বলেন, আমি সেটা সুধরিয়ে নিজেকে আপনার যোগ্য করে নিবো। উনি বলতেন, কমতি তোমার মাঝে নয়,আছে তোমার পরিবারের মাঝে।আমি তোমাকে বিয়ে করেছিলাম তোমার বাবার আর্থসামাজিক অবস্থা দেখে,আমি যদি জানতাম তোমার বাবা তার মাথার বোঝা আমার মাথায় চাপিয়ে দিয়েদূরে সরে যাবেন, তাহলে আমি তোমাকে কখনোই বিয়ে করতামনা!আর আমার বাবা,মা, বোন তোমাকে কথা শুনায় এগুলো আমাকে বলতে আসবেনা, যাদের বাবার বাড়ি থেকে মেয়ে বাচে কি মরে সেই খবরটাও নেয়া হয়না, তাকে অবহেলা করাই স্বভাবিক! বরং তোমাকে যে এখনো তারা তাড়িয়ে দেননি এটাই তোমার সৌভাগ্য! আর তোমাকে তাড়িয়ে দিলে তোমার বাবা নিশ্চয়ই তোমাকে গ্রহণ করবেননা , সেটাতো তুমি ভালো করেই জানো!
মেয়েটি আজ মা হয়েছে! সংসারটা টিকে গিয়েছিলো তার! খুবই পরিচিত আর সাধারন কারনে,মেয়েটার জীবন যেই জায়গাতে শুরু হয়েছিল , সেখানে আর তার জন্যে জায়গা নেই,আর যাদের থেকে তার জীবনটা শুরু হয়েছিলো সেখানে আর তার অধিকার নেই! আর এই পরিচিত আর সাধারন কারনটাই হয়ত অনেক মেয়ের সংসার টিকে থাকার কারন!সংসার সুখী মানুষদের জন্যে সুখের আর সখের জায়গা,আর দুর্বলদের জন্যে হচ্ছে আশ্রয়স্থল,হোক সেটা দুর্বল আর নড়বড়ে তবুওত আশ্রয়!
মেয়েটা তার সদ্য জন্ম নেয়া কন্যা সন্ত্বানকে বুকে তুলে তার প্রথম দায়িত্বটি পালন করলো, ভাগ্যবিধাতার কাছে পার্থনা করে," তার সন্ত্বানের জীবন যেন তার মতো না হয়"
আর এইভাবেই দুর্বল মানুষগুলো তাদের সুখে থাকার আশাটুকু বাচিয়ে রাখবে, "পরবর্তী প্রজন্মের জন্যে", ভাগ্যবিধাতার কাছে পার্থনা করে।

অপরাজিতা অতন্দ্রিলা

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.